গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে জবাই করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি যাওয়া গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গরুর মালিকের ভাতিজাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করার অভিযোগও উঠেছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের পশ্চিম মাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম মাস্তা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় তার প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি কালো রঙের ক্রস জাতের গাভী গোয়ালঘরে বেঁধে রাখেন। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বাড়ির মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরের দরজা খোলা।
এরপর স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে চুরি যাওয়া গরুটির সন্ধানে বের হলে বাড়ির পাশের জমিতে গরুর পায়ের ছাপ দেখতে পান তারা। সেই ছাপ অনুসরণ করে পার্শ্ববর্তী বকশিচর গ্রামের একটি বাড়িতে গিয়ে চুরি যাওয়া গরুটি জবাই করে মাংস কাটার দৃশ্য দেখতে পান গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম।
এ সময় গরুর মালিক ও তার ভাতিজার সঙ্গে অভিযুক্তদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভাতিজা আনারুলের মাথায় আঘাতের চেষ্টা করা হয়। তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে তার ডান হাতে কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয়। পরে কয়েকজন অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা উদ্ধার করে।
আহত আনারুলকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সদস্য জাহিদ হাসান। এ ঘটনায় কামারদহ ইউনিয়নের বকশিচর গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৫২) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম। রাইজিংবিডি ডটকমকে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 












