গাইবান্ধায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫০ হাজার টাকা অথদণ্ড। এ সময় দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে কেক তৈরিতে ব্যবহৃত ৩৭ বোতল অননুমোদিত ফ্লেভারিং ও কালার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে বিকেলে গাইবান্ধা সদর উপজেলার প্রফেসর কলোনি এলাকায় এবং সন্ধ্যায় শহরের কাছারি বাজার এলাকায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত করা হয়। অভিযানে গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার এ. এফ. এম. সাজ্জাদুল ইসলাম এসআরবি ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে প্রফেসর কলোনি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে রনি নিউ সুস্বাদ প্রতিষ্ঠানের মালিক ইমরান হোসেন রনি বেকারি পণ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে ২৫ হাজার টাকা অথদণ্ড করা হয়।
একই এলাকার বিনা প্রতিষ্ঠানের মালিক কামরুল হাসানকে কেক তৈরিতে অননুমোদিত কেমিক্যাল ব্যবহারের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
পরে সন্ধ্যায় শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। সেখানে মেসার্স তুবা এন্ড সাজিদ ক্রোকারিজ-এর মালিক এমদাদুল হক সরকার তাজুলকে কেক তৈরিতে ব্যবহৃত অননুমোদিত ফ্লেভারিং ও কালার সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এ ছাড়া একই এলাকার অননুমোদিত ফ্লেভারিং ও কালার সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে সজীব স্টোর মালিক স্বরুপ প্রামানিক ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।
অভিযানকালে কাচারি বাজারের মেসার্স তুবা এন্ড সাজিদ ক্রোকারিজ ও সজীব স্টোর থেকে মোট ৩৭ বোতল অননুমোদিত ফ্লেভারিং ও কালার জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা এসব উপকরণ ধ্বংস করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বমোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড আদায় করা হয়।
গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা এ. এফ. এম. সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, খাদ্য তৈরিতে অননুমোদিত কেমিক্যাল, ফ্লেভারিং, কালার ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তাজরুল ইসলাম 


















