গাইবান্ধার সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন সুইট এবং তার ভাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি সুজ্জাউদৌলা সুজার কর্তৃক সাঘাটা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সোহেল রানার ওপর হামলা অফিযোগ ও মুঠোফোনে অস্ত্র দেখিয়ে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর ) দুপুরে জেলার সাঘাটা বোনারপাড়ায় আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী সাঘাটা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা।
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল রানা অভিযোগ করে বলেন, “রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত শত্রুতাবশত সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেন সুইট এবং তার ভাই কৃষক লীগ নেতা সুজ্জাউদৌলা সুজা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তাদের নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।”
তিনি আরও জানান, “হামলার পর সন্ত্রাসী বাহিনী এখানেই খান্ত হয়নি; বরং মুঠোফোনে কল দিয়ে পিস্তল উঁচিয়ে ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তবুও সাঘাটা থানার ওসি মামলা গ্রহন করছেন না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত যুবদল ও বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগের সন্ত্রাসীরা এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়। একজন বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীর ওপর হামলা ও পিস্তল দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, কৃষক লীগ নেতা সুজ্জাউদৌলা সুজাসহ ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাঘাটা উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 












