মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন, গাইবান্ধায় ৯৩ জন পেলেন ৪ কোটি ১ লাখ টাকা

  • তাজরুল ইসলাম
  • আপডেট সময়: ০২:১৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮০

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করে এই সহায়তা পেতে পারেন। তবে এ জন্য দুর্ঘটনার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ফরম-৩২-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। সরকারি এ সহায়তার সুযোগ থাকলেও পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে অনেক দুর্ঘটনাকবলিত পরিবার সময়মতো আবেদন করতে পারছেন না।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর নবম অধ্যায়ে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসা সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে। আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান থেকে উদ্ভূত দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিংবা আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর উত্তরাধিকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি ধারা ৫৩-এর অধীন গঠিত আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন করা হয়েছে। এ তহবিল পরিচালনা ও ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছে ট্রাস্টি বোর্ড।

অন্যদিকে, আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, আর্থিক সহায়তা পেতে আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তসহ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে পারেন। আবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অনুকূলে ন্যায়ানুগ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করার বিধান রয়েছে। প্রয়োজনে চিকিৎসা বা আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তাও দেওয়া যেতে পারে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার তারিখ থেকে অনধিক ৯০ দিনের মধ্যে ফরম-৩২-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। দুর্ঘটনাসংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে আবেদন দাখিল করতে হয়। আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট কার্যালয় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিতে হয়। আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের কপি এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়। নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, মৃত্যু সনদ, বৈধ ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় আইনগত দলিল জমা দিতে হয়। এ ছাড়া দুর্ঘটনার প্রমাণপত্র ও ট্রাস্টি বোর্ডের চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়।

গাইবান্ধা বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২৭ জন এবং নিহত ৬৬ জনসহ মোট ৯৩ জনের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪ কোটি ১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম ও যোগ্যতা অনুযায়ী আহত ব্যক্তি এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা বিআরটিএর মোটরযান পরিদর্শক মোঃ কামাল আহমেদ (কাজল) বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির স্বজনরা নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুর্ঘটনার প্রমাণপত্র, চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত কাগজপত্রসহ অন্যান্য নির্ধারিত দলিল জমা দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা জরুরি। বিশেষ করে ৯০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। এ সময়সীমার মধ্যে আবেদন না করলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সড়ক দুর্ঘটনার পর একটি পরিবারকে একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয়, উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর আর্থিক ক্ষতি কিংবা আহত ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও শারীরিক সমস্যার মতো নানা সংকট মোকাবিলা করতে হয়। এ অবস্থায় আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে পাওয়া সরকারি সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক ব্যক্তি বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এই আর্থিক সহায়তার সুযোগ, আবেদন পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ৯০ দিনের সময়সীমা সম্পর্কে জানেন না। ফলে কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারেন না। এ কারণে দুর্ঘটনার পরপরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

Popular Post

গাইবান্ধায় শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন, গাইবান্ধায় ৯৩ জন পেলেন ৪ কোটি ১ লাখ টাকা

আপডেট সময়: ০২:১৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করে এই সহায়তা পেতে পারেন। তবে এ জন্য দুর্ঘটনার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ফরম-৩২-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। সরকারি এ সহায়তার সুযোগ থাকলেও পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে অনেক দুর্ঘটনাকবলিত পরিবার সময়মতো আবেদন করতে পারছেন না।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর নবম অধ্যায়ে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসা সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে। আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান থেকে উদ্ভূত দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কিংবা আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর উত্তরাধিকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি ধারা ৫৩-এর অধীন গঠিত আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন করা হয়েছে। এ তহবিল পরিচালনা ও ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছে ট্রাস্টি বোর্ড।

অন্যদিকে, আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, আর্থিক সহায়তা পেতে আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তসহ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে পারেন। আবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অনুকূলে ন্যায়ানুগ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করার বিধান রয়েছে। প্রয়োজনে চিকিৎসা বা আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তাও দেওয়া যেতে পারে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার তারিখ থেকে অনধিক ৯০ দিনের মধ্যে ফরম-৩২-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। দুর্ঘটনাসংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে আবেদন দাখিল করতে হয়। আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট কার্যালয় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিতে হয়। আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের কপি এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়। নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, মৃত্যু সনদ, বৈধ ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় আইনগত দলিল জমা দিতে হয়। এ ছাড়া দুর্ঘটনার প্রমাণপত্র ও ট্রাস্টি বোর্ডের চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হয়।

গাইবান্ধা বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২৭ জন এবং নিহত ৬৬ জনসহ মোট ৯৩ জনের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪ কোটি ১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম ও যোগ্যতা অনুযায়ী আহত ব্যক্তি এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা বিআরটিএর মোটরযান পরিদর্শক মোঃ কামাল আহমেদ (কাজল) বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির স্বজনরা নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুর্ঘটনার প্রমাণপত্র, চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত কাগজপত্রসহ অন্যান্য নির্ধারিত দলিল জমা দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা জরুরি। বিশেষ করে ৯০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। এ সময়সীমার মধ্যে আবেদন না করলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সড়ক দুর্ঘটনার পর একটি পরিবারকে একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয়, উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর আর্থিক ক্ষতি কিংবা আহত ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও শারীরিক সমস্যার মতো নানা সংকট মোকাবিলা করতে হয়। এ অবস্থায় আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে পাওয়া সরকারি সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক ব্যক্তি বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এই আর্থিক সহায়তার সুযোগ, আবেদন পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ৯০ দিনের সময়সীমা সম্পর্কে জানেন না। ফলে কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারেন না। এ কারণে দুর্ঘটনার পরপরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি কিংবা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা বৈধ প্রতিনিধি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ জেলা সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।