বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন-বিএনপি এখন সংসদে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করে। আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলেছি, সংবিধান সংশোধন কমিটি নয়, সংস্কার কমিশন গঠন করেন। আমরাও আছি।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে পাঁচটার দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা টু রংপুর লংর্মাচের পথসভার প্রস্তুতি বিষয়ে পলাশবাড়ী চৌমাথায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই সনদ উল্লেখ করেন তিনি বলেন, সরকারি দল জুলাই সনদের সকল কথা না মেনে, যতটুকু মানলে দলের লাভ হয় ,বিএনপি ততটুকুু মেনে চলছে। আর বলছে আমরা তো জুলাই সনদ মানি।
গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট বিষয়ে তিনি বলেন সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিত্ব এবং প্রশাসনের অদতার কারণে এখন জনগণের দুর্ভোগ হচ্ছে, গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে। এটা সরকার এবং সরকারের যে ব্যবস্থাপনা আছে, তারা আরও সক্রিয় হলে এবং তারা যদি আস্থার সাথে দায়িত্ব পালন করেন তবে জনগণের দুর্ভোগ কমে যাবে।
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করেন তিনি বলেন, একজন দেশ থেকে পালিয়েছে। আর একজন দেশে আসার জন্য উকুঝুকি দেয়। আসলে কি আমাদের ভয় আছে। আসলে ফাঁসির রশি রেডি আছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সাত দফা দাবি জানানো হয়, দাবিগুলো হচ্ছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অধ্য মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, গাইবান্ধার সাবেক জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার, পথসভা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক অধ্য মাওলানা আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এমপি, জেলা জামায়াতের (ভারপ্রাপ্ত) সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা আহবায়ক এস এম খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গাইবান্ধা জেলা সেক্রেটারি মুফতি মাওলানা আবু ইউসুফ, এলডিপি গাইবান্ধা জেলা সভাপতি অধ্য শরিফুল ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জেলা সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, এবি পার্টি জেলা আহবায়ক মো. খাইরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) জেলা সভাপতি মোঃ সুলতান মাহমুদ, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল আমিন প্রমূখ।
রিপোর্টারের নাম 




















