ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে গাইবান্ধা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গাইবান্ধা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক মিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা জেলা তথ্য অফিসার ইশতিয়াক আহমাদ আবীর , ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড কর্মকর্তা শাহারিয়া পারফেজ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন। এ দিনের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক সম্প্রীতির গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তাঁরা বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বক্তারা।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপস্থিত সবাই দেশ ও জাতির সার্বিক মঙ্গল কামনায় অংশ নেন।
এদিকে, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে একই দিন যোহরের নামাজের পর গাইবান্ধা জেলার সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত কথা রয়েছে।
তাজরুল ইসলাম 

















