মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভুয়া নথি দিয়ে মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া জন্মনিবন্ধন ও কাবিননামা তৈরি করে এক যুবকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় মামলার বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে (১৮) সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীকে সতর্ক করা হয়েছে। আদালতে দাখিল করা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুনতাইড় আমবাড়ি গ্রামের হামিদুর হক সরকারের মেয়ে নুরহাত জাহান লিজা তাঁর স্বামী তৌফিক হাসানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় যৌতুকের অভিযোগ এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়।

মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় শুনানির একপর্যায়ে বাদীপক্ষের দাখিল করা জন্মনিবন্ধন ও কাবিননামার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে এসব নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। আদালতে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এসব নথি ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় বিষয়টি বিচারকের নজরে আসে।

এরপর শুনানি শেষে আদালত মামলার বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি বাদীপক্ষের আইনজীবীকেও এ ধরনের নথিপত্র ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মো. সাজ্জাদ হোসেন দণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে মামলা দায়ের করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আসামিদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে এবং বাদীকে তাৎক্ষণিক সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে তিনি সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।

 

গাইবান্ধায় জানাজা শেষে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার স্বামী-স্ত্রী

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভুয়া নথি দিয়ে মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময়: ০৩:০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া জন্মনিবন্ধন ও কাবিননামা তৈরি করে এক যুবকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় মামলার বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে (১৮) সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীকে সতর্ক করা হয়েছে। আদালতে দাখিল করা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুনতাইড় আমবাড়ি গ্রামের হামিদুর হক সরকারের মেয়ে নুরহাত জাহান লিজা তাঁর স্বামী তৌফিক হাসানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় যৌতুকের অভিযোগ এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়।

মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় শুনানির একপর্যায়ে বাদীপক্ষের দাখিল করা জন্মনিবন্ধন ও কাবিননামার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে এসব নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। আদালতে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এসব নথি ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় বিষয়টি বিচারকের নজরে আসে।

এরপর শুনানি শেষে আদালত মামলার বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি বাদীপক্ষের আইনজীবীকেও এ ধরনের নথিপত্র ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মো. সাজ্জাদ হোসেন দণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে মামলা দায়ের করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আসামিদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে এবং বাদীকে তাৎক্ষণিক সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে তিনি সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।