গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা। মামলায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম হাবিবুর রহমান।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম ও আরেক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী । তিনি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের সঙ্গে ওই শিক্ষিকার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন চেয়ারম্যান। পরে বিয়ের কথা উঠলে বিভিন্ন কৌশলে তা এড়িয়ে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যানের সহযোগী ছালেহীন আকন্দ গোপনে ছবি তুলে তা বিকৃত করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করেন। একইসঙ্গে ৩০০ টাকার ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেন। এছাড়া বিয়ের খরচের কথা বলে শিক্ষিকার কাছ থেকে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকার দাবি, চেয়ারম্যানের বিয়ের আশ্বাসে তিনি তার প্রথম সংসার ভেঙে দেন। ওই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। পরে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি প্রথমে থানায় অভিযোগ করেন। মামলা গ্রহণ না করায় গত ১৬ আগস্ট আদালতের শরণাপন্ন হন। শুনানি শেষে আদালত থানাকে মামলা হিসেবে অভিযোগটি গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এদিকে, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংবাদ সম্মেলন করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম। তিনি নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 










