বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ সদস্যর ঝুলন্ত মরদেহের পা টয়লেটের প্যানের সাথে লেগে ভাজ হয়ে থাকায় এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায়

  1. গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাস ভবনের নিরাপত্তার দায়ীত্বে নিয়োজিত নায়েক হাবিবুর রহমান পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্বহননের পথ বেছে নিয়েছে|

    পুলিশের গার্ড রুমের ওয়াশরুম থেকে আজ বুধবার বিকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ | তার পিতা মিন্টু মিয়া ,বাড়ি নীলফামারী জেলার বাবুপাড়ায়|

    পুুলিশ জানায় ,ঢাকায় এক সন্তান ও স্ত্রী সহ থাকতেন ঢাকায়| সপ্তাহ খানেক আগে ঢাকার ডিমপি থেকে বদলী হয়ে গাইবান্ধায় আসেন নায়েক হাবিবুর রহমান | এসেই যোগদানের পর থেকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাস ভবনের নিরাপত্তার দায়ীত্বে বাস করতেন এসপির বাস ভবনের গার্ড রুমে| বদলীর পর থেকে স্ত্রী সন্তান ঢাকাতেই থাকতেন | পারিবারিক কলহ চলে আসছিলো দীর্ঘদিন থেকে| দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য নজরে আসে তার টেলিফোনের সংলাপ থেকে | আজও ফোনে অসংলগ্ন কথা বার্তা ,তর্কবিতর্ক করতে শুনতে পান পাশে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা | বিকেল সাড়ে তিন টার দিকে ফোন হাতে নিয়ে তিনি পরিবারের কারো সাথে কথা কাটাকাটি করতে করতে সহকর্মীদের পাশ থেকে উঠে গার্ড রুমের ওয়াশ রুমে প্রবেশ করেন| তারপর দীর্ঘক্ষন ওয়াশরুম থেকে সারা শব্দ না পেয়ে অন্য সহকর্মীরা ওয়াশরুমে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও বের না হলে দরোজা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখেন সবাই | তাদের চিৎকারে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন |
    গাইবান্ধা সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেন|

  • তবে সংগৃহীত ফুটেজে পুলিশ সদস্যর ঝুলন্ত মরদেহের পা টয়লেটের প্যানের সাথে লেগে ভাজ হয়ে থাকায় এটি হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিলেও পুলিশ সুপারের বাসভবনে ঢোকার অনুমতি মেলেনি গণমাধ্যম কর্মীদের।
Popular Post

গাইবান্ধায় উইপোকায় কৃষকের টাকা নষ্টের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর কৃষককে আর্থিক সহায়তা করলেন সৌদি প্রবাসী।

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

পুলিশ সদস্যর ঝুলন্ত মরদেহের পা টয়লেটের প্যানের সাথে লেগে ভাজ হয়ে থাকায় এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায়

আপডেট সময়: ০১:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  1. গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাস ভবনের নিরাপত্তার দায়ীত্বে নিয়োজিত নায়েক হাবিবুর রহমান পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্বহননের পথ বেছে নিয়েছে|

    পুলিশের গার্ড রুমের ওয়াশরুম থেকে আজ বুধবার বিকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ | তার পিতা মিন্টু মিয়া ,বাড়ি নীলফামারী জেলার বাবুপাড়ায়|

    পুুলিশ জানায় ,ঢাকায় এক সন্তান ও স্ত্রী সহ থাকতেন ঢাকায়| সপ্তাহ খানেক আগে ঢাকার ডিমপি থেকে বদলী হয়ে গাইবান্ধায় আসেন নায়েক হাবিবুর রহমান | এসেই যোগদানের পর থেকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাস ভবনের নিরাপত্তার দায়ীত্বে বাস করতেন এসপির বাস ভবনের গার্ড রুমে| বদলীর পর থেকে স্ত্রী সন্তান ঢাকাতেই থাকতেন | পারিবারিক কলহ চলে আসছিলো দীর্ঘদিন থেকে| দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য নজরে আসে তার টেলিফোনের সংলাপ থেকে | আজও ফোনে অসংলগ্ন কথা বার্তা ,তর্কবিতর্ক করতে শুনতে পান পাশে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা | বিকেল সাড়ে তিন টার দিকে ফোন হাতে নিয়ে তিনি পরিবারের কারো সাথে কথা কাটাকাটি করতে করতে সহকর্মীদের পাশ থেকে উঠে গার্ড রুমের ওয়াশ রুমে প্রবেশ করেন| তারপর দীর্ঘক্ষন ওয়াশরুম থেকে সারা শব্দ না পেয়ে অন্য সহকর্মীরা ওয়াশরুমে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও বের না হলে দরোজা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখেন সবাই | তাদের চিৎকারে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন |
    গাইবান্ধা সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেন|

  • তবে সংগৃহীত ফুটেজে পুলিশ সদস্যর ঝুলন্ত মরদেহের পা টয়লেটের প্যানের সাথে লেগে ভাজ হয়ে থাকায় এটি হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিলেও পুলিশ সুপারের বাসভবনে ঢোকার অনুমতি মেলেনি গণমাধ্যম কর্মীদের।