মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা সার জব্দ

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর মন্দুয়ার গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন সরকারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭২ বস্তা সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্যাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।

এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকার ওই বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন। ‎অভিযুক্ত শাহীন সরকার (৬০) উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উত্তর মন্দুয়ার গ্রামের মৃত বদিউজ্জামান সরকারের ছেলে। জানা যায়, অভিযানকালে অবৈধভাবে মজুত রাখা এসব সার জব্দ করা হয়।

জব্দ করা সারের মধ্যে ইউরিয়া ১৩ বস্তা, জিপসাম ২৮ বস্তা, ডিএপি ১৬ বস্তা, টিএসপি ১৩ বস্তা ও পটাশ সার ২ বস্তা রয়েছে। যার সর্বমোট দাম প্রায় ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা। কৃষকদের দাবি, সারের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে নিয়মিতভাবে বাজার ও গুদামে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহীন সরকার বলেন, আমরা প্রান্তিক কৃষক। বাড়িতে রাখা সার বিক্রি কিংবা মজুদ নয়। রোপা আমন ক্ষেতে প্রয়োগের জন্য এসব সার রাখা হয়।

এ বিষয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার কেউ অবৈধভাবে মজুত বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

গাইবান্ধায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা সার জব্দ

আপডেট সময়: ০৪:২৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর মন্দুয়ার গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন সরকারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭২ বস্তা সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্যাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।

এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকার ওই বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন। ‎অভিযুক্ত শাহীন সরকার (৬০) উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উত্তর মন্দুয়ার গ্রামের মৃত বদিউজ্জামান সরকারের ছেলে। জানা যায়, অভিযানকালে অবৈধভাবে মজুত রাখা এসব সার জব্দ করা হয়।

জব্দ করা সারের মধ্যে ইউরিয়া ১৩ বস্তা, জিপসাম ২৮ বস্তা, ডিএপি ১৬ বস্তা, টিএসপি ১৩ বস্তা ও পটাশ সার ২ বস্তা রয়েছে। যার সর্বমোট দাম প্রায় ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা। কৃষকদের দাবি, সারের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে নিয়মিতভাবে বাজার ও গুদামে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহীন সরকার বলেন, আমরা প্রান্তিক কৃষক। বাড়িতে রাখা সার বিক্রি কিংবা মজুদ নয়। রোপা আমন ক্ষেতে প্রয়োগের জন্য এসব সার রাখা হয়।

এ বিষয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার কেউ অবৈধভাবে মজুত বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’