বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অধ্যক্ষের নির্মম বেত্রাঘাত, অভিভাবকদের তীব্র ক্ষোভ

গাইবান্ধার এসকেএস (SKS) স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে অমানবিক বেত্রাঘাত করার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ দুষ্টুমির অজুহাতে তৃতীয় শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থীকে শাসনের নামে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করায় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, নির্যাতন ও ক্ষোভের শিকার শিশুটির নাম মাহাদি শাহরিয়ার। সে এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণীর ‘ড্যাফডিল’ শাখার ছাত্র। গত মঙ্গলবার শ্রেণীকক্ষে কিছুটা দুষ্টুমি করার অপরাধে স্কুলের অধ্যক্ষ তাকে ডেকে নিয়ে যান এবং অত্যন্ত অমানবিক ও নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করেন। এতে শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
​সন্তানের ওপর এমন নির্মম নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুটির মা-বাবা ও স্বজনরা। শিশুটির পরিবার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাসনের নামে শিশুদের ওপর কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন বা বেত্রাঘাত আইনি ও নৈতিকভাবে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। গাইবান্ধার মতো জায়গায় এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তথা অধ্যক্ষের আসন থেকে যদি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও নিষ্ঠুর আচরণ আসে, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও আশঙ্কাজনক।
​এই ঘটনার বিচার দাবি করে ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, শাসনের নামে কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নিপীড়নের এই অপরাজনীতি ও চর্চা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। আর কোনো মায়ের সন্তানকে যেন এমন অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে না হয়—এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াই ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

গাইবান্ধায় এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অধ্যক্ষের নির্মম বেত্রাঘাত, অভিভাবকদের তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময়: ০৭:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার এসকেএস (SKS) স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে অমানবিক বেত্রাঘাত করার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ দুষ্টুমির অজুহাতে তৃতীয় শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থীকে শাসনের নামে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করায় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, নির্যাতন ও ক্ষোভের শিকার শিশুটির নাম মাহাদি শাহরিয়ার। সে এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণীর ‘ড্যাফডিল’ শাখার ছাত্র। গত মঙ্গলবার শ্রেণীকক্ষে কিছুটা দুষ্টুমি করার অপরাধে স্কুলের অধ্যক্ষ তাকে ডেকে নিয়ে যান এবং অত্যন্ত অমানবিক ও নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করেন। এতে শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
​সন্তানের ওপর এমন নির্মম নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুটির মা-বাবা ও স্বজনরা। শিশুটির পরিবার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাসনের নামে শিশুদের ওপর কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন বা বেত্রাঘাত আইনি ও নৈতিকভাবে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। গাইবান্ধার মতো জায়গায় এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তথা অধ্যক্ষের আসন থেকে যদি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও নিষ্ঠুর আচরণ আসে, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও আশঙ্কাজনক।
​এই ঘটনার বিচার দাবি করে ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, শাসনের নামে কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নিপীড়নের এই অপরাজনীতি ও চর্চা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। আর কোনো মায়ের সন্তানকে যেন এমন অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে না হয়—এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াই ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে