রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় অসুস্থ অসহায় বৃদ্ধের পাশে ছাত্রদল নেতা রিমন

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯০ বছরের অসুস্থ ও অসহায় বৃদ্ধ আজিজুল রহমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন গাইবান্ধা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিমন।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া আজিজুল রহমান বর্তমানে নানা শারীরিক জটিলতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার পাশে রয়েছেন ৮০ বছর বয়সী স্ত্রী মাজেদা বেগম। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে মানুষের সহযোগিতাই এখন তাদের একমাত্র ভরসা।

বৃদ্ধ দম্পতির অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন ছাত্রদল নেতা রিমন। তিনি আজিজুল রহমানের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ৫ দিনের ইনজেকশনসহ ওষুধপত্র কিনে দেন। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজখবরও রাখছেন তিনি।

ছাত্রদল নেতা রিমন বলেন, বৃদ্ধ আজিজুল রহমানের চিকিৎসার জন্য যেসব ওষুধপত্র ও ইনজেকশন  বাহির থেকে  কিনতে হতো সেগুলো আমি কিনে দিয়েছি। আমি নিয়মিত তার চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছি। সামনে চিকিৎসার জন্য আরও কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে, আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি পাশে থাকার চেষ্টা করব।

Popular Post

গাইবান্ধায় ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ ও কটূক্তির অভিযোগ, ফুলছড়িতে ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত!!

গাইবান্ধায় অসুস্থ অসহায় বৃদ্ধের পাশে ছাত্রদল নেতা রিমন

আপডেট সময়: ০২:১৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯০ বছরের অসুস্থ ও অসহায় বৃদ্ধ আজিজুল রহমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন গাইবান্ধা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিমন।

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া আজিজুল রহমান বর্তমানে নানা শারীরিক জটিলতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার পাশে রয়েছেন ৮০ বছর বয়সী স্ত্রী মাজেদা বেগম। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে মানুষের সহযোগিতাই এখন তাদের একমাত্র ভরসা।

বৃদ্ধ দম্পতির অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন ছাত্রদল নেতা রিমন। তিনি আজিজুল রহমানের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ৫ দিনের ইনজেকশনসহ ওষুধপত্র কিনে দেন। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজখবরও রাখছেন তিনি।

ছাত্রদল নেতা রিমন বলেন, বৃদ্ধ আজিজুল রহমানের চিকিৎসার জন্য যেসব ওষুধপত্র ও ইনজেকশন  বাহির থেকে  কিনতে হতো সেগুলো আমি কিনে দিয়েছি। আমি নিয়মিত তার চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছি। সামনে চিকিৎসার জন্য আরও কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে, আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি পাশে থাকার চেষ্টা করব।