ট্রিপল মার্ডারের দায় স্বীকার এএসআই সৌমেনের

নিউজ ডেস্কনিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:০০ PM, ১৪ জুন ২০২১

স্ত্রী আসমা খাতুনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা সৌমেন রায়। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সংশোধন না হওয়ায় স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। রোববার (১৩ জুন) সকালে প্রেমিকের সঙ্গে হাতেনাতে ধরে ফেলার পর নিজের সার্ভিস রিভলবার দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন স্ত্রী আসমা খাতুন, আসমা খাতুনের দ্বিতীয় পক্ষের শিশুসন্তান রবিন এবং শাকিল খানকে। হঠাৎ করে খুন নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় এই ট্রিপল মার্ডার করেন পুলিশ কর্মকর্তা সৌমেন রায়।

সোমবার (১৪ জুন) আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এসব কথা বলেছেন তিনি।

দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কড়া পুলিশ পাহারায় কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের ডিবি কার্যালয় থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে এএসআই সৌমেনকে কুষ্টিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়। এসময় সৌমেনের মাথায় হেলমেট ও হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। পরবর্তীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হক ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন। জবানবন্দি রেকর্ডের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার সময় আবারো কড়া পুলিশ পাহারায় মাইক্রোবাসে করে সৌমেনকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেসময় সকাল থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা আদালত চত্বরে অপেক্ষার প্রহর গুনলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত নিশি কান্তা সাহা জবানবন্দির বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তারা দ্রুত আসামিকে নিয়ে আদালত চত্বর ত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীরা কোর্ট ইন্সপেক্টর আল ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও বলেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।

সাংবাদিকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর সংশ্লিষ্ট কোর্টেও পেশকার এম এ আলিম সাংবাদিকদের জানান, জবানবন্দির বিষয়ে তারা কেউ কোনো কথা বলবেন না। জবানবন্দির বিষয়ে কেউ কোনো তথ্য প্রদান না করায় শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীরা আদালত চত্বর ত্যাগ করেন।

দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কড়া পুলিশ পাহারায় কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের ডিবি কার্যালয় থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে এএসআই সৌমেনকে কুষ্টিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়। এসময় সৌমেনের মাথায় হেলমেট ও হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। পরবর্তীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হক ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন। জবানবন্দি রেকর্ডের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার সময় আবারো কড়া পুলিশ পাহারায় মাইক্রোবাসে করে সৌমেনকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেসময় সকাল থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা আদালত চত্বরে অপেক্ষার প্রহর গুনলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত নিশি কান্তা সাহা জবানবন্দির বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তারা দ্রুত আসামিকে নিয়ে আদালত চত্বর ত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে গণমাধ্যমকর্মীরা কোর্ট ইন্সপেক্টর আল ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও বলেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।

সাংবাদিকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর সংশ্লিষ্ট কোর্টেও পেশকার এম এ আলিম সাংবাদিকদের জানান, জবানবন্দির বিষয়ে তারা কেউ কোনো কথা বলবেন না। জবানবন্দির বিষয়ে কেউ কোনো তথ্য প্রদান না করায় শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীরা আদালত চত্বর ত্যাগ করেন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও তাপস কুমার সরকার জানান, রোববার নিহত তিনজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে রোববার রাত ১২টার পর নিজ নিজ পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতে নিহত শাকিলের মরদেহ তার বাবা মেজবার রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে নিহত আসমা খাতুন এবং তার ছয় বছর বয়সী শিশুপুত্র রবিনের মরদেহ আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত শাকিল খানের নিজ গ্রাম কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগর পাড়া গ্রামের মেছের উদ্দিন দারুল উলুম কওমিয়া মাদরাসায় জানাজা শেষে সোমবার বাদ জোহর সাঁওতা কারিগর পাড়া গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় খুলনা রেঞ্জ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের দুজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ কুষ্টিয়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর পরই সৌমেন রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।কুষ্টিয়া পুলিশ সূত্র জানায়, সৌমেন রায় ২০১৫ সালে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে উন্নীত হন। পরে ২০১৬ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় যোগ দেন। সেখান থেকে জেলার অন্যান্য থানায়ও কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ মিরপুর থানার হালসা ক্যাম্পে ছিলেন। এরপর বাগেরহাট হয়ে খুলনা ফুলতলা থানায় যোগ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :